নবীগঞ্জে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দু’ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশিত: ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২, ২০২১

নবীগঞ্জে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দু’ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : ছোট বাচ্চাদের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দুই ঘন্টাব্যাপি সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শিশুসহ অর্ধ শতাধিক লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসময় হামলায় প্রায় ৮ থেকে ১০টি বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।

 

রোববার (০১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার করগাঁও ও সাকোয়া গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বর আহত ১০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

সংঘর্ষের খবর পেয়ে একদল পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে থানায় খবর দিয়ে আরও অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে দুইঘন্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি স্বাভাবিকে নিয়ে আসেন পুলিশ সদস্যরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

 

সংঘর্ষের খবর পেয়ে নবীগঞ্জ-বাহুবল এর সার্কেল এসপি আবুল খায়ের ঘটনাস্থলে আসেন।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাকোয়া গ্রামের পুত্র বেনু মিয়ার পুত্র সমির ও করগাঁও গ্রামের নুরুল মিয়ার পুত্র টুটুল গউস মিয়ার ফিসারির পাশে একটি খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই বাচ্চার মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় করগাঁও গ্রামের জনৈক মুরুব্বী দুই বাচ্চার ঝগড়া মীমাংসা করতে গিয়ে সাকোয়া গ্রামের শিশুকে থাপ্পড় মারেন। এ খবর সাকোয়া গ্রামের লোকজনের কাছে পৌঁছলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

 

পরে সাকোয়া গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে করগাঁও গ্রামবাসীর উপর হামলা চালায়। হামলার খবরে করগাঁও গ্রামবাসী মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে করগাঁও গ্রামবাসীর সাথে গুমগুমিয়ার গ্রামের লোকজনসহ একসাথে জড়ো করে পাল্টা হামলা চালায়। দুই ঘন্টাব্যাপি এই সংঘর্ষে শিশুসহ দুই গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

 

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ডালিম আহমদ জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। উভয় গ্রামবাসীর সাথে সমজোতার চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com