প্রচ্ছদ

প্রাথমিকের পাঠদানে নতুন সময়সূচি

০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৫২

সুরমা মেইল ডেস্ক
ছবি : প্রতিকী

প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার মান উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদানের লক্ষ্যে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট করে বিশ্রাম পাবে। এ সময়ে তারা খেলার ছলে সৃজনশীল ও উদ্ভাবনীমূলক কাজ করবে। ইতোমধ্যে দেশের তিন জেলার চারটি বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই পদ্ধতি চালু করা হবে।

সূত্র মতে জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে শরীরচর্চা হতো। এরপর ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ক্লাস শুরু হতো। স্থানভেদে কোনো কোনো বিদ্যালয়ে ৩৫ মিনিট আবার কোথাও ৪৫ মিনিট করে বিষয় ভিত্তিক একেকটি ক্লাস করানো হত। বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে শিক্ষার্থীদের স্কুল ছুটি হতো।

তিন জেলার চারটি মডেল বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শরীরচর্চা শেষে ১০টায় ক্লাস শুরু হবে। মাঝে ৩০ মিনিট খেলার জন্য বিশ্রাম দেয়া হবে। এরপর পাঠদানের জন্য প্রতি বিষয়ের ক্লাস ৪৫ মিনিট করে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট করে বিশ্রাম পাবে। সে সময়ে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে নিয়োজিত করা হবে। শিক্ষার্থীদের পছন্দ অনুযায়ী খেলার ছলে নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা হবে। বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে ক্লাস শেষে বিদ্যালয় ছুটি দেয়া হবে।

এছাড়াও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম আনন্দপূর্ণ করারও কার্যক্রম শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে মডেল হিসেবে মাগুরা জেলার হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুড়িগ্রামে কুড়িগ্রাম ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং নেত্রকোনায় ৩৬নং বালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুনভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুটিন ও পাঠদান কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পাঠদানে একঘেয়েমি দূর করতে ক্লাসের সময় ও খেলার ছলে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছি। মডেল হিসেবে চার বিদ্যালয়ে নতুন রুটিন বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পরবর্তী দুই মাস এই স্কুলগুলোর কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে। এতে সফলতা আসলে যেখানে একটি শিফটে বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে সেখানে নতুন রুটিন অনুযায়ী পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। এভাবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের ৬৫ হাজার ৫৯০ সরকারি বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু করা হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com