বন্ধ হয়নি বটেশ্বর এর শিলংছড়া দখল: প্রশাসনের নীরব ভূমিকা

প্রকাশিত: ৪:৪০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৯, ২০১৬

বন্ধ হয়নি বটেশ্বর এর শিলংছড়া দখল: প্রশাসনের নীরব ভূমিকা

news-att-pic

সুরমা মেইল নিউজ : সিলেট সদর উপজেলার খাদিমপাড়া বটেশ্বর এলাকারর উপর দিয়ে প্রবাহিত  হিরংছড়া (শিলংছড়া) যুগযুগ ধরে জালালাবাদ  সেনানিবাস উত্তর মলাই টিলা, সোনার গাঁ আ/এ. চুয়াহর আবাসিক এলাকা এবং খাটিমারা সহ পার্শ্ববর্তী  এলাকার পানি নিস্ক্রাশনের একমাত্র খাল। এলাকায় এই ছড়াটি ২০/৩০ ফুট প্রশস্থ থাকলেও বর্তমানে ৮ ফুট  হয়েগেছে দখলদারীর কবলে পড়ে। একসময় এই  ছড়াটি প্রবল খর ¯্রােত ছিল  এবং পার্শ্ববর্তী জনসাধারন বালি উত্ত্বোলন করা ও কৃষি কাজে শুস্ক মৌসুমে ছড়ার পানি ব্যবহৃত হত। ১৯৮০ দশকেও ছড়ার  অতীত ঐতিহ্য অনেকটাই অক্ষুুন্ন ছিল। ছড়াটির উৎপত্তি জালালাবাদ  সেনানিবাসের উত্তরের চা বাগান এর ভিতর থেকে এবং জালালাবাদ সেনানিবাসের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে অতিক্রম করে গ্যারিশন সিনেমা হলের দক্ষিণ দিকে চুুয়াবহর আ/এ’র মধ্যে দিয়ে খাটিমারার দক্ষিনের হাওরে পড়েছে যার  সংযুক্ত সুুরমা নদীর সাথে। দখলদারীর শুরুতেই  গ্যারিশন সিনেমা হলের দক্ষিনের ২৮১ নং পুরাতন দাগের  অংশে মৃত আশক আলী নামক  জনৈক ব্যক্তি ভূয়া ভূমিহীন লীজ অবৈধভাবে ছড়ার ভরাট হওয়া  একটি অংশের ৭.৫০ শতক জায়গা লিজ নিয়ে বাশের আড় দিয়ে ভরাট করে দখল করেন। এই  লিজের বাতিল চেয়ে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক বরাবরে দরখাস্তে প্রেক্ষিতে একটি মামলা বর্তমানে হাইকেকার্টে  নিষ্পত্তির অপেক্ষায়। উক্ত ২৮১ দাগের নীচের অংশের ছড়ার জায়গাও পাশে বসতকারী কিছু ব্যক্তি কৌশলে  দখলে নেয়ার বলে ছড়াটি প্রস্থ সংকিল হয়েছে। এছাড়া ছড়ার সরকারী ৩১১ নং দাগের পশ্চিমে ৩১৯ নং দাগের মালিক জনৈক ইমদাদুল হক চৌধুরী প্রথমে বাশের আড় মেরে পর্যাক্রমে কৌশলে এবং জবরদস্তির মাধ্যমে ছড়ার পশ্চিম অংশে ৩/৫ ফুট  প্রশস্থ প্রায় ৪০০-৫০০ ফুট  লম্বায় গার্ডওয়াল  দিয়ে দখল  করেন। এর প্রতিকারের জন্য এলাকার জনসাধার ২৫/২/২০১৩ তারিখ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এবং ২৪/৬/২০১৩ তারিখ উপজেলা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে  সহকাারী কমিশনার ভূমি এর নিকট অভিযোগ করেও অদ্যবধি ছড়াটি দখল মুক্তত না হওয়ায় প্রতি বৎসর বর্ষার পানি  প্রবেশ করে কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি  হয় এবং জনসাধারনের দুর্ভোগের সীমা থাকেনা। এমন কি ছড়ার পার দিয়ে চলমান রাাস্তা পানির ¯্রােতে ভেঙ্গে খানাখন্দকের সৃষ্টি  করে চলাচলে দুর্ভোগের  সৃষ্টি  করে।  এই দুর্ভোগের  বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন  পরিষদ  সদস্য সহ চেয়ারম্যান  কর্তৃক বিভিন্ন সময়  সরজমিন প্রত্যক্ষ্য করেছেন কিন্তু কার্যকরী কোন   পদক্ষেপ  গ্রহনন সম্ভব হয় নাই। ছড়া দখলের ধারাবাহিকতায় মার্চ ২০১৬ তারিখ হতে ৩১৯  নং দাগের মালিক ইমদাদুল হক চৌধুরী পুনরায় ছড়ার উপরর পিলার দিয়ে  ঘর তৈরীর কাজ শুরু করেন। এমতাবস্থায় এলাকার জনসাধারন বিগত ০৭/৩/২০১৩  তারিখ উপজেলা নির্বাহী  অফিসার ববরাবরে ছাড়ার অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য আবেদন করলেও তাৎক্ষনিক স্থানীয় বহর তহশীল  অফিসকে কাজ বন্ধ করা সহ সরজিিমন প্রতিবেদন দাখিলের মৌকিক নির্দেশ প্রদান  করেন। তহশীল  অফিসের সরজমিন প্রতিবেদনটি বর্তমানে সহহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য হয় অবৈধ ছড়া দখলকারী ইমদাদুল হক চৌধুরী একজন প্রবাসী তার ভাড়াটি কিছু সন্ত্রাস প্রকৃতির লোক এই দখলকারীর  সাথে জড়িত। স্থানীয় ইউপি মেম্বার নিজাম উদ্দিনের বাড়ীর পীচন দিকে ছড়াটি অতিবাহিত হয়। ছড়া দখলে কারনে ইউপি সদস্য নিজাম ্উদ্দিনের  বাড়িতেও পানিতে তলিয়ে যায়। তার  পরে তিনি নীরব ভূমিকায় থাকেন কেনো এলাকাবাসী জানতে চায়? এলাকাবাসীর সাথে  কথা বলে জনা যায়, অপেক্ষায় আছেন উপজেলার নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসক এবং সহকারী কমিশনার  (ভূমি) সহ সংলিষ্ট  প্রশাসন জনস্বার্থে শিলং  ছড়া অবৈধ দখল মুক্ত করে পানি নিষ্ক্রাশনের ব্যবস্থা করে জনগনের আশা পূরন  করতে পারবেন কি? না ইমদাদুল হক চৌধুরীর দাপটে যে কেউ, সেই  অদুর  অবস্থা থেকেই যাবে। এদিকে বছরের  প্রথম  বৃষ্টিতেই বিগত ০৪ এপ্রিল ১৬ তারিখ ছড়ায়  প্রতিবন্ধকতা  সৃষ্টির কারনে চুয়াবহর আ/এ বাসা বাাড়ীেেত পানি ঢোকে পড়ে এবং চলাচলের রাস্থা ডুবে গিয়ে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা থেকে এলাকার জনগন কবে মুক্তি পাবে তা প্রশাসনই ভাল জানেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com