মানুষ হত্যাকারীর বিচার বাংলার মাটিতে করবো: শেখ হাসিনা

প্রকাশিত: ৪:৫৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০১৬

মানুষ হত্যাকারীর বিচার বাংলার মাটিতে করবো:  শেখ হাসিনা

 sylhet pic hasina

সুরমা মেইল নিউজ  : নির্বাচন বানচালের নামে মায়ের সামনে মেয়ে, বাবার সামনে মেয়েকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রত্যেক মানুষ হত্যাকারীর বিচার বাংলার মাটিতে করবো। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে দেশের উন্নয়ন করে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছেন, সে অনুযায়ী স্বাধীনতার সুফল মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়াই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনের সমালোচনা করে বলেন, তারা নির্বাচন বানচালের নামে যেভাবে মানুষ হত্যা করেছিল, সেটা পৃথিবীর ইতিহাসে আর আছে কিনা জানি না। কেউ রেহাই পায়নি খালেদার প্রতিহিংসা থেকে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই শান্তি, ওরা চায় অশান্তি। আওয়ামী লীগ চায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা হোক, ওরা চায় লুটপাট করুক। ‘জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ক্ষমতা দখল করে যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। আমরা ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি। জাতির জনকের হত্যাকারীদের পুনর্বাসন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু আমরা জাতির জনকের হত্যাকারীদের বিচার করেছি। যুদ্ধারপরাধীদেরও বিচার আমরা করবো। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কলঙ্কমুক্ত হবে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে বাংলাদেশ বিমানে লুটপাট করা হয়েছে উলে­খ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমান ছিল মরা লাশ। আমরা বিমানে প্রাণের সঞ্চার করেছি। তিনি বলেন, সিলেট বিভাগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় অহরহ বোমা হামলা হতো। সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের উপর হামলা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিমকে হত্যা করা হয়েছে। সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সময় বিদেশিরাও নিরাপদ ছিল না। সিলেটে শাহজালালের মাজারে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের উপরও হামলা হয়েছিল। এর আগে, জনসভা মঞ্চের পাশে সিলেটের ২২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করেন তিনি। এর আগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এর আগে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তিনি। ওসমানী বিমানবন্দরে প্রধামন্ত্রীকে স্বাগত জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহ-সভাপতি আশফাক আহমদ সহ দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। বিমানবন্দরে শেখ হাসিনা পৌঁছার পরই শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে বিমানবন্দর এলাকা বাইরে দাড়ানো অপেক্ষামান নেতাকর্মীরা প্রিয় নেত্রীকে স্বাগত জানান। বিমান বন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি হযরত শাহজালাল (রহ.) এর দরগাহের দিকে রওয়না দেন জিয়ারতের জন্য। তিনি মাজারে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান সাবেক সিলেট সিটি মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, সাবেক সাংসদ সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, সাংগঠনিক সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুল, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আসমা কামরান, মিনা চৌধুরী, নাজমিন হোসেন, শামসুন নাহার মিনু সহ উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। গাড়িযোগে শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের পৌছান তিনি বেলা ১২টা ২০ মিনিটে। হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার ও আশপাশের এলাকাজুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শাহজালাল মাজার জিয়ারত শেষেই বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে শাহপরান মাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন সেখানেও মাজার ও আশপাশের এলাকাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। শাহপরাণ মাজারে থাকে স্বাগত জানান মাজারে অপেক্ষামান দলীয় নেতৃবৃন্দ, মাজার জিয়ারত শেষে নেত্রী সোজা চলে যান সিলেট মদন মোহন কলেজের ৭৫ বছর পূর্তী অনুষ্ঠানে যোগ জন্য তাকে বরণ করে নিতে নিতে বর্ণিল সাজে সাজানো হয় কলেজের ৭৫’ বছর পূর্তি এ অনুষ্ঠান। বেলা সোয়া ১টায় মাজার জিয়ারত শেষে তিনি মদনমোহন কলেজের উদ্দেশ্যে যাত্র করেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও কলেজ প্রাঙ্গণে নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সিলেট সার্কিট হাউসে নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজ শেষে বেলা আড়াইটার দিকে সিলেট সরকারি আলীয়া মাদরাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার জন্য রওয়া হন তিনি। দ্বিতীয় মেয়াদে মহাজোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো সিলেট এলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর মহাসমাবেশে ছিল লাখো জনতার ঢল সিলেট আলীমাদ্রাসার মাঠ এবং নগরীর অলি-গলি পাড়া মহল্লা জনমানুষে কানায় কানায় লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়, প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল জনসমূদ্রে পরিণত হয়ে যায় নেত্রী আসার আগেই। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগনে সিলেটে বিরাজ করে উৎসব আমেজ। গোটা নগরী রূপ নেয় উৎসবের নগরীতে। মিছিলে এই জনসভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আলীয়া মাঠের উদ্দেশ্যে আসেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজিবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের খন্ড খন্ড মিছিলে অনেকটা মিছিলের নগরীতে পরিনত হয়েছে সিলেট। মিছিলগুলো নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে শুরু হয়ে চৌহাট্টা পয়েন্ট ও রিকাবী বাজার হয়ে আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশ করে সব কয়টি মিছিল। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় নেওয়া হয় ছয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নেতাকর্মীদের নানা ধরনের স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সিলেট আলীয়া মাদ্রাসার মাঠ। অধিক লোকের সমাগমে যাতে বিশৃঙ্খলা না হয় এর জন্য সভা মঞ্চ থেকে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরনা। তিনি নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে দাড়ানোর আহবান জানান। ইনার কর্ডন, আউটার কর্ডন, রোড ব্যবস্থাপনা,র্ রুফটপ, ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ও সাদা পোশাকধারী এই ছয়টি স্তরে নিরাপত্তার দায়িত্বে করে পুলিশ। এসএমপি সূত্রে জানা যায়, সিলেট মহানগরীর ছয়টি থানার পুলিশ সদস্য ছাড়াও মহানগরীর বাইরে থেকে জেলা পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্যকে নিরাপত্তা কাজের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। সবমিলিয়ে পাঁচ সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য নগরজুড়ে দায়িত্ব পালন করেন। জনসভাস্থলে আগত জনতার সাথে মিশে গিয়ে কাজ করেন সাদা পোশাকধারী পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা। গত মেয়াদে দায়িত্ব পালনকালে ২০১২ সালের ২৪ মার্চ তিনি সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন। ৪ বছর পর একই স্থানে আবারও জনসভায় জনতার মুখোমুখি হচ্ছেন তিনি। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার বিদেশ সফর থেকে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করলেও সিলেটে কোনো অনুষ্ঠানে তাঁর যোগ দেওয়া হয়নি। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সিলেটের বেশ কিছু সড়কে যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় এসএমপি পুলিশ। এসব সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর বিমানবন্দর থেকে আম্বরখানা রুট পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়। দুপুর ১২টা বা তার কাছাকাছি সময়ের বিমানযাত্রীদের সকাল দশটার আগেই বিমানবন্দরে পৌঁছতে বলা হয়। একইভাবে বিমানবন্দর সকাল দশটার আগেই আম্বরখানা সড়ক পার হয়। বিকেলের দিকে যাদের ফাইট চিল তাদের বিকেল তিনটার মধ্যে বিমানবন্দরে উপস্থিত ও একইভাবে আম্বরখানা সড়ক পার হতে বলা হয়। তিনটার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে না পৌঁছা পর্যন্ত ওই সড়কে সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর শাহজালাল (রহ.) মাজার ও শাহপরাণ (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে মদন মোহন কলেজে অনুষ্ঠিতব্য হীরক জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগদানের পর বিমানবন্দর থেকে আম্বরখানা সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে আলিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য জনসভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে সুরমা বাইপাস হয়ে যানবাহনযোগে যারা আসেন, টিলাগড় পর্যন্ত এসে তাদের যানবাহন সুরমা বাইপাস থেকে বিকেএসপি সড়কে, সুনামগঞ্জ ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে যানবাহনযোগে যারা আসেন মদিনা মার্কেট এসে তাদের যানবাহন কুমারগাঁও বাস টার্মিনালে এবং ফেঞ্চুগঞ্জ ও অন্যান্য এলাকা থেকে যানবাহনযোগে যারা আসেন, তাদের হুমায়ুন রশিদ চত্বর পর্যন্ত এসে যানবাহন কদমতলী বাস টার্মিনালে পার্কিংয়ের করার কথা বলা হয়। সিলেটে যেসব প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন : বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে তিনি নগরীর আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেন এবং সেখানে তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন এবং উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে যেসব প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করে সে গুলো হচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবন, আবুল মাল আবদুল মুহিত ক্রীড়া কমপেক্স, জৈন্তাপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, এপিবিএম এর ব্যারাক ভবন, ওসমানী নগর থানা ভবন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য নির্মিত হোস্টেল ভবন, মাছিমপুর এলাকার সুরমা নদীর তীরে নির্মিত ওয়াকওয়ে, এমসি কলেজের মাঠের সীমানা প্রাচীরে গেইট, সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালকে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালে রূপান্তর, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবন। যেসব প্রকল্পের ভিত্তিস্থাপন : এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে সিলেট আউটার স্টেডিয়াম, খসরুপুর বাজার জিসি-পৈলনপুর-বালাগঞ্জ জিসি সড়ক উন্নয়ন, হরিপুর জিসি-গাছবাড়ী জিসি সড়ক (কানাইঘাট অংশ), মৈয়াখালী বাজার-আর এন্ড সুইচ (বারোহাল ইউপি অফিস) ভায়া হাটুবিল মাদরাসা সড়ক উন্নয়ন, নারী পুলিশ ডরমেটরি ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজ, শাহপরান থানা ভবন নির্মাণ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা অফিস নির্মাণ, সিলেট বিভাগীয় ও জেলা এনএসআই কার্যালয় ভবন নির্মাণ, তামাবিল স্থলবন্দর নির্মাণ, হযরত গাজী বোরহান উদ্দিন (রহ.) মাজার, ৩ তলা ভিত্তিবিশিষ্ট মসজিদ, মহিলা এবাদতখানা ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) সিলেট বিভাগ এবং সিভিল সার্জন সিলেট কার্যালয় ভবন নির্মাণ কাজ ও সিলেট ইলেক্ট্রনিক সিটি। এ দিকে সিলেটের ঐহিতাসিক আলীয় মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার কার্যক্রম শুরুবেলা ২টায় আলীয়া মাঠের জনসভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদের পরিচলানায় কোরআন তিলাওয়াত করেন কারী মুজাহিদুল ইসলাম বুলবুল, গিতা পাঠ করেন দিলীপ কুমার দাশ, বেইবেল পাঠ করেন দিপন নিঝুম সাংমা, ত্রিপিটক পাঠ করেন আয়োবা ত্রিপুরা। সভার শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদ, মহানগর সভাপতি আব্দুল বাছিত রুম্মান।

বিকেলে ৩.৫৯ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলিয়া সভায় যোগ দেন। আলিয়া মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। চার বছর পর সিলেট নগরীতে হবে এটা তাঁর ভাষণ। এর আগে ২০১২ সালের ২৪ মার্চ আলীয়া মাঠের জনসভায় জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com