মেজর সিনহা হত্যায় ওসি প্রদীপ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৫:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৬, ২০২০

মেজর সিনহা হত্যায় ওসি প্রদীপ গ্রেপ্তার

সুরমা মেইল ডেস্ক : পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহতের ঘটনায় কক্সবাজারে আদালতে দায়ের করা হত্যা মামলায় টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর ওসি প্রদীপ কুমারকে গাড়িটিতে করে কক্সবাজারে নেওয়া হচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে তাকে আদালতে তোলা হতে পারে।

 

এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে প্রত্যাহার করা হয়। ওইদিন সকালে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি পুলিশ পরিদর্শক মো. লিয়াকতসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। পরে নয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

 

গত ৩১ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান গুলিতে নিহত হন। ঘটনার সময় উপস্থিত ৯ পুলিশ সদস্যকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

 

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে মামলাটি এফআইআর হিসাবে রুজু এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব-১৫) তদন্তের নির্দেশ দেন।

 

আদালত সূত্র জানা যায়, আদালতের আদেশ মতে দায়ের করা মামলাটি বুধবার রাতেই টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত একটি হত্যা মামলা হিসাবে রুজু করা হয়েছে। মামলা নম্বর সিআর: ৯৪/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)। দণ্ডবিধি ৩০২, ২০১ ও ৩৪ জামিন অযোগ্য ধারায় রুজু হওয়া এ মামলায় এজাহারভুক্ত নয়জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

 

ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত ছাড়া মামলায় এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

 

এ মামলায় সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গী ও ৩১ জুলাই এর ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  

Flag Counter

আমাদের ভিজিটর সংখ্যা

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com