রেল হচ্ছে স্বল্প খরছের পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম

প্রকাশিত: ৭:০৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৯, ২০১৬

রেল হচ্ছে স্বল্প খরছের পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম

56497
সুরমা মেইল নিউজ : স্বল্প খরচের গণপরিবহন রেলকে বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফের পরামর্শে দূর্নীতি-লুটপাট বন্ধ না করে লোকসানী প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে বেসরকারি খাতে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে বলে রেল অভিযাত্রার সমাবেশে সিপিবি-বাসদের বক্তারা অভিযোগ করেছেন। গত ৩১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ‘রেল রক্ষা অভিযাত্রা’র শেষ দিনে সিপিবি-বাসদের উদ্যোগে শনিবার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে রেল অভিযাত্রা শুরু করে শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া পেরিয়ে সিলেটে এসে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে সিলেট রেল স্টেশনে সমাপনী সমাবেশে বাসদ সিলেট জেলা শাখার সমন্বয়ক কমরেড আবু জাফরের সভাপতিত্বে ও সিপিবি সিলেট জেলার সদস্য গোলাম রাব্বী চৌধুরী ওয়াফির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সিপিবি কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড আহসান হাবীব লাভলু, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা, শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সিপিবি সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, বাসদ সিলেট জেলা সদস্য প্রণব জ্যোতি পাল, উদীচী সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক রতন দেব, ছাত্র ফ্রন্টের নগর সভাপতি পাপ্পু চন্দ, ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাসগুপ্ত। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাসদ মৌলভীবাজার জেলার আহ্বায়ক এডভোকেট মইনুর রহমান মজনু, সিলেট জেলা সিপিবি নেতা বাদল কর, সিপিবি হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক পিযুষ চক্রবর্তী, সিপিবি মৌলভীবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক নীলিমেষ ঘোষ বলু, বাসদ সিলেট জেলা সদস্য জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন, শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ আবুল হাসান, বাসদ হবিগঞ্জ জেলার সদস্য সুনীল রায়, সিপিবি কুলাউড়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ, ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সদস্য মিটন দেবনাথ, ছাত্র ইউনিয়ন শাবিপ্রবির সভাপতি শ্রীকান্ত শর্মা, ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আজহারুল হক সাকিব প্রমূখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার বিশ্ব ব্যাংক, এডিপি ও আইএমএফের পরামর্শে রেলকে বেসরকারি করার চক্রান্তের অংশ হিসেবে ব্যয় কমানোর নামে দফায় দফায় রেলের কর্মচারী ছাঁটাই, স্টেশন বন্ধ, ইঞ্জিন-বগি কমানো হচ্ছে। অন্যদিকে যাত্রীদের সেবার মান না বাড়িয়ে দফায় দফায় রেলের ভাড়া বৃদ্ধি করছে। যা রেলকে ধ্বংস করার প্রক্রিয়া। অথচ গণপরিবহনের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত রেল হচ্ছে স্বল্প খরচের পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম। তাই রেলের ইঞ্জিন-বগির সংখ্যা বাড়ানো, পর্যাপ্ত লোকবল নিয়োগ করে বন্ধ স্টেশনগুলো চালু করা ও লুটপাট-দুর্নীতি বন্ধ করা, রেলের দখলকৃত জায়গা ও সম্পদ উদ্ধার করে রেলকে আধুনিক করা ও যাত্রী সুবিধা বাড়িয়ে রেলকে প্রকৃত গণপরিবহনে রূপ দেবার দাবী নিয়েই এই রেল অভিযাত্রা দেশব্যাপী পরিচালনা করা হয়। বক্তারা অবিলম্বে এইসব দাবী বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় রেলের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশের সাধারণ মানুষকে নিয়ে রেল রক্ষায় আরও বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com