প্রচ্ছদ

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারকে চাপ দিন: জাপানকে প্রধানমন্ত্রী

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:২২

সুরমা মেইল ডেস্ক
জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তার সংসদ ভবন কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। (ছবি : সংগৃহীত)

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১১ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (০৯ সেপ্টেম্বর) জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সংসদ ভবন কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, শেখ হাসিনা জাপানি রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন, ‘তাদের (মিয়ানমার) রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে। এ বিপুল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের জন্য এক বড় বোঝা। আমরা কত দিন তাদের রাখব?’

জাপানের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, তার দেশের সহানুভূতি সব সময় বাংলাদেশের সাথে রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের আসতে এবং আশ্রয় দিতে বাংলাদেশের অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করেন হিরোইয়াসু ইজুমি। সেই সাথে তিনি সীমান্তে বেড়া নির্মাণ না করার জন্যও বাংলাদেশের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমারের সাথে কোনো ধরনের সংঘাতে যায়নি। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমি রাখাইন রাজ্যে ফেরত পাঠাতে মিয়ানমার সরকারের সাথে শান্তিপূর্ণ আলোচনায় যাওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেন তিনি।

এদিকে, রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়ে সরকার ভবিষ্যতে কীভাবে অগ্রসর হবে, তা জানতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার এ আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে একটি উচ্চপর্যায়ের আসন্ন সফর ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে একজন কর্মকর্তা জানান, রোহিঙ্গাদের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানার জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিভিন্ন স্তরের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করবে এবং এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা নিয়ে সরকার জাতিসংঘে কীভাবে এগোতে চায় এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে বাংলাদেশ কী করবে, সেসব নিয়েও আলোচনা হয় বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, প্রায় দেড় ঘণ্টার এ বৈঠকে কক্সবাজারে এনজিও’র কার্যক্রম এবং সরকারের প্রতিক্রিয়াও জানতে চান রাষ্ট্রদূত।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর কথা ছিল। তবে তা শুরু না হওয়ার পেছনে কিছু এনজিওর ভূমিকা নিয়ে সরকার প্রশ্ন তুলেছে। এরইমধ্যে কয়েকটি এনজিও’র কার্যক্রমও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাডরা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com