১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি

প্রকাশিত: ১:৪২ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি

সুরমা মেইল ডেস্ক : ১০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে আলাদা নিরীক্ষা করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এই চিঠি দিয়ে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে (নিরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে) নিরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠান ১০টি হচ্ছে ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিড ডটকম ডটবিডি ও আলেশা মার্ট।

 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইভ্যালি ছাড়া অন্য ৯ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক লেনদেন ও আর্থিক তথ্য জানতে চেয়ে গত ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি পাঠিয়েছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ আর্থিক অবস্থা, ক্রেতা ও মার্চেন্টদের কাছে মোট দায়ের পরিমাণ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর চলতি ও স্থায়ী মূলধনের পরিমাণ জানা দরকার বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

 

প্রসঙ্গত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক দিক পরিদর্শন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

 

এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরই এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুন মাসে ইভ্যালির ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। তাতে উঠে আসে যে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনা ৪০৩ কোটি টাকা আর কোম্পানিটির চলতি সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি টাকা।

 

জানা গেছে, ইভ্যালি সম্প্রতি তিন দফায় সম্পত্তি, দায়, দেনা ইত্যাদির বিবরণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এগুলোর সত্যতা যাচাই ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে আজ মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

 

এদিকে অগ্রিম টাকা নিয়েও পণ্য সরবরাহ বা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় গত মাসে ই-অরেঞ্জের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে মামলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমান এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আমানউল্লাহ চৌধুরী গ্রেফতার হয়েছেন।

 

এ ছাড়া ইনভ্যারিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ধামাকা নামে লোভনীয় অফার ও ভার্চুয়াল সিগনেচার কার্ড বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছিল একটি চক্র। মানুষের কাছ থেকে তারা ৮০৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়, যার একটি অংশ মানি লন্ডারিং; মানে পাচার করা হয়।

 

এজন্য গত ৯ সেপ্টেম্বর ৫ জনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com