২য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক কারাগারে

প্রকাশিত: ৩:২১ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০১৬

২য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক কারাগারে

download (4)সুরমা মেইল নিউজ : দ্বিতীয় শ্রেণীর এক শিশু ছাত্রীকে (৮) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মেয়েটিকে আহত অবস্থায় প্রথমে বেলাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ (২৪ জুলাই) রবিবার বেলা সাড়ে ১২টায় নরসিংদীর বেলাব উপজেলার চরবেলাব গ্রামের পাটক্ষেতে এই ঘটনা ঘটে।

নির্যাতিত শিশুটি স্থানীয় চর লক্ষিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী এবং একই এলাকার এক প্রবাসীর মেয়ে।

নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৈয়দ আমিরুল হক শামীম বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় বাচ্চা মেয়েটি খুবই আতংকিত। এর ফলে সে মানুষ দেখলেই ভয় পায়, চিৎকার দিচ্ছে। তার ইনজুরি গুরুতর। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমরা তাকে বুঝিয়ে অনেক কষ্ট করে অস্ত্রোপাচার করেছি।

খবর পেয়ে বিকালে বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়ুম আলী সরদার নির্যাতিত শিশুটিকে দেখতে নরসিংদী সদর হাসপাতালে মেয়েটিকে দেখতে যান। ওই সময় মেয়েটি জানায়, সে দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে। মায়ের হাতে বই দিয়েই মাঠে ঘূড়ি উড়াতে যায়। মাঠে যাওয়ার সময় একই গ্রামের বাবু দাদা (সাদ্দাম হোসেন বাবু (২২) তাকে নাইল্লা (পাট) ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে বাবু তাকে ধর্ষণ করে বলে শিশুটি পুলিশ ও পরিবারের লোকজনকে জানায়।

শিশুটির মা জানায়, নাইল্লা ক্ষেত থেকে মেয়ের কান্না শুনে মাঠের লোকজন ছুটে যায়। তারা রক্তাক্ত অবস্থায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করে বেলাব উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করে।

খবর পেয়ে নরসিংদী সদর হাসাপাতালে নির্যাতিত মেয়েটিকে দেখতে যায় জেলা মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দরা। জেলা মহিলা পরিষদের সভাপতি আশালতা সাহা বলেন, শিশুটিকে দেখে আমরা ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। মানুষ কিভাবে এমন পাষন্ড হয়। আমরা ধর্ষককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবী জানাচ্ছি।

বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়ুম আলী সরদার বলেন, ঘটনার পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে। এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com