সুনামগঞ্জে ছাত্রীর মামলায় সেই প্রেমিক আইনজীবী জুয়েল কারাগারে

প্রকাশিত: ৮:১০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০১৭

সুনামগঞ্জে ছাত্রীর মামলায় সেই প্রেমিক আইনজীবী জুয়েল কারাগারে

Manual3 Ad Code

কলেজ ছাত্রীর মামলায় সেই প্রতারক প্রেমিক আইনজীবী সহকারি পরিচয়ধারী জয়লাল আবেদীন জুয়েলকে অবেশেষ জেলা কারাগারে যেতে হল।

প্রেমিকার দায়ের করা মামলায় জুয়েল কয়েক মাস আত্মগোপন থাকার পর বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণের আদেশ প্রদান করেন।

Manual5 Ad Code

জুয়েল সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের চারাগাঁও মাইজ হাঁটির বাসিন্দা কলাগাঁও বাজারের পল্লী চিকিৎসক বরজু ওরফে বশির ডাক্তারের ছেলে।

Manual1 Ad Code

মামলার এজাহার ও বাদীনীর সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কলাগাঁও বাজারের পল্লী চিকিৎসক বরজু ওরফে বশিরের ছেলে আইনজীবী সহকারি পরিচয়ধারী জয়নাল আবেদীন জুয়েল একই উপজেলার শ্রীপুর কুঁড়েরপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শাহনুর মিয়ার সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে বিএ প্রথম বর্ষে পড়ুয়া মেয়ে কাকলী আক্তার রত্নার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার এক পর্যায়ে ২০১৫ সালে উভয়ের সম্মতিতে বিয়েও হয়। বিয়ের পর জেলা শহরে ভাড়াটিয়া বাসায় প্রায়ই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে মেলামেশা করে আসছিলেন তারা।

Manual8 Ad Code

কলেজ ছাত্রী কাকলীর দাবি, জুয়েল প্রথমে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ২০১৪ সালে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর এলাকার কয়েকজনকে সাক্ষী রেখে সুনামগঞ্জে ২০১৫ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে আমার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই বিয়ে এবং প্রেমকে সে অস্বীকার করে জুয়েল ১০ জুলাই পার্শ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুরের শাহপুরে দ্বিতীয় বিয়ের পিড়িতে বসতে যাচ্ছিল।

এদিকে এ খবর জানতে পেরে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে ৮ জুলাই শনিবার রাতেই কাকলী জুয়েলের বাড়িতে এসে অনশনে বসেন। অভিযোগ রয়েছে ওই রাতেই জুয়েলের বড়ভাই কথিত জেলা ছাত্রলীগ নেতা জাভির আহমেদ জাবেদ তার ব্যাক্তিগত দাপুট খাঁটিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশকে দিয়ে নানা কৌশল ও চাঁপে ফেলে কাকলীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে অনশনরত কাকলী পরদিন ৯ জুলাই রবিবার রাতে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় প্রতারক প্রেমিক জুয়েলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (ভুল বুঝিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ) একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী প্রদীপ কুমার নাগ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক কতৃক জুয়েলের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারের তাকে কারাগারে প্রেলণের বিষয়টি বৃহস্পতিবার রাতে নিশ্চিত করেন।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code