কম খরচে ক্যান্সার নির্ণয়ে শাবির সাবেক শিক্ষার্থীর সাফল্য

প্রকাশিত: ২:১৫ পূর্বাহ্ণ, মে ১১, ২০২১

কম খরচে ক্যান্সার নির্ণয়ে শাবির সাবেক শিক্ষার্থীর সাফল্য

সুরমা মেইল ডেস্ক : কম খরচে ক্যানসার নির্ণয়ে সফলতা পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) রসায়ন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ফাতেমা জেরীন ফারহানা। তিনি বর্তমানে বুয়েটে রসায়ন বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থী।

 

ফাতেমা জেরীন ফারহানা বুয়েট ও অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে সবুজ রসায়ন প্রয়োগের মাধ্যমে কার্যকরী গ্রুপ সংবলিত আয়রন অক্সাইড-ভিত্তিক এক নতুন শ্রেণির অজৈব এনজাইম উদ্ভাবন করেন। যা ক্যান্সার রোগের জন্য দায়ী বিভিন্ন বায়োমার্কার প্রাথমিক পর্যায়ে অল্প খরচে ও সল্প সময়ে শনাক্ত করতে সক্ষম।

 

সোমবার (১০ মে) সন্ধ্যায় তার সাফল্যের বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেন।

 

ফাতেমা জেরীন ফারহানার গবেষণা কাজটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন বুয়েটের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. শাখাওয়াৎ হোসেন ফিরোজ ও অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্দিকী রিসার্চ ল্যাবের প্রধান ড. মুহাম্মদ জে. এ. সিদ্দিকী শামিম।

 

ফাতেমা জেরীন ফারহানা বলেন, এই নতুন শ্রেণির অজৈব এনজাইম প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার রোগ নির্ণয় করার সহজ ও সঠিক পদ্ধতি বা স্বল্পমূল্যের ডিভাইস বানাতে কার্যকরি ভূমিকা রাখবে।

 

ফারহানার এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল, রসায়ন জ্ঞানকে ব্যবহার করে সল্প খরচে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের সহজ ও সঠিক পদ্ধতি বা ডিভাইস বানানো।

 

তিনি দেখান যে অল্প খরচে তৈরি এই অজৈব এনজাইম অনুঘটক বিক্রিয়ায় প্রাকৃতিক এনজাইমের মোটামুটি সব ধর্মই বজায় থাকে। এর সংরক্ষণ পদ্ধতিও সহজ এবং এটি দিয়ে যেকোনো ক্যান্সার বায়োমার্কার প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ভুলভাবে রোগ শনাক্ত করতে সক্ষম। ফারহানা মূলত বিভিন্ন রকম ন্যানোপার্টিকেল এবং জৈব ও অজৈব যৌগ তৈরির কাজ করেন।

 

ফারহানা বলেন, ‘প্রস্তুতকৃত অজৈব এনজাইম শুধু মানবদেহের ক্যান্সার শনাক্তকরণের পদ্ধতিতেই নয়, যে কোনও রোগ শনাক্তকরণের পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যাবে।’

 

তিনি বলেন, ‘শুধু মানবদেহের রোগ নয়, এ নতুন ধরনের অজৈব এনজাইম বিভিন্ন ফসলের মড়ক রোগও (ধান, গম, আখ) প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের কাজে ব্যবহার করা যাবে।’

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com