সমাজের অসংগতিগুলো সাংবাদিকরাই সবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়

প্রকাশিত: ২:৫৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৭, ২০২১

সমাজের অসংগতিগুলো সাংবাদিকরাই সবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়

হেলাল আহমেদ চৌধুরী : বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সরকারী কর্মচারীদের বেতন হয়। এজন্য তাদেরকে বলা হয়- পাবলিক সার্ভেন্ট।

 

সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকের অন্যতম মৌলিক অধিকার সমাজের অসংগতিগুলোকে সাংবাদিকরাই সবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। সাংবাদিকরা গণমাধ্যমের চালিকা শক্তি। বিচার বিভাগ, প্রশাসন এবং গণমাধ্যম ও সাংবাদিকরা ছাড়া কোনো রাষ্ট্র ব্যবস্থা সঠিকভাবে পরিচালিত হতে পারেনা। সাংবাদিকরা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেন।

 

সাংবাদিকদের কারনেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। কারন সমাজের অসংগতিগুলোকে সাংবাদিকরাই সবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। সর্বক্ষেত্রে অন্যান্যদের মতো সাংবাদিকরাও রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ন কাজগুলো করে থাকেন।

 

প্রশাসন ও সরকারকে সহযোগীতা করে। তথাপিও পেশাগত দায়িত্বপালনকালীন সময় প্রসাশনের নিযুক্ত সোর্স এদের নেতিবাচক মনোভাব পুরো পুলিশ বাহীনির সুনাম ও ভাবমূর্তিকে ম্লান করে দিচ্ছে। পুলিশ ২/৪ জন নতুন অপেশাদার কর্মকান্ডের কারনে সৎ, আদর্শ ও নীতিবান পুলিশের দূর্নাম হয়। পুরো পুলিশবাহীনী সুনাম নষ্ট হয়। সাংবাদিকদের সাথে সন্ত্রাস গুন্ডা-ফান্ডা, চুর বদমাশকে খুশি করতে পুলিশ দিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে, ভয়ভীতি প্রর্দশন করে।

 

এটা কোনো বাহিনীর জন্য সুনাম বয়ে আনেনা। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ বাহীনির অপেশাদার আচরন ও নেতিবাচক মনোভাব দূর করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের একটি দিকনির্দেশনা থাকা আবশ্যক বলে মনে করি আমি ।

 

লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com